নটর ডেমের নাঈমকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করলেন রাসেল

নটর ডেমের নাঈমকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করলেন রাসেল

নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ময়লার গাড়িচালক পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাসেল খান।

আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মোতালেব হোসেন। রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের বাসা থেকে আরামবাগের নটর ডেম কলেজে যাওয়ার পথে ২৪ নভেম্বর গুলিস্তানে রাস্তা পার হওয়ার সময় ডিএসসিসির ময়লার গাড়ির চাপায় মৃত্যু হয় নাঈম হাসানের। এ ঘটনায় নাঈমের বাবা বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মামলা হওয়ার পরদিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাসেল খানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হয়। আদালত রাসেলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিন রিমান্ড শেষে তাঁকে আজ সোমবার আদালতে হাজির করে তাঁর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করা হয়। আদালত রাসেলের জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন ডিএসসিসির ময়লার গাড়িচালক হারুন অর রশীদ।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাসেল খানই সেদিন ময়লার গাড়ি চালাচ্ছিলেন। রাসেল খানই নটর ডেম কলেজের ছাত্র নাঈম হাসানকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। কেবল রাসেল নন, তাঁর সঙ্গে থাকা দুজনও আদালতে সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। রাসেল খান যখন যে ময়লার গাড়ি পেতেন, সেই গাড়ি চালাতেন। তবে ওই গাড়ি গত জুলাই থেকে চালিয়ে আসছিলেন হারুন। অবশ্য ঘটনার দিন হারুন গাড়িতে ছিলেন না।