ভোলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ও দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ

ভোলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ও দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ

ভোলার সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বসির আহম্মেদের কর্মী–সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের মাদ্রাসাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গতকাল রাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে ভোলা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসাবাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, মামুনুর রশিদের নির্বাচনী কার্যালয়, ওষুধের দোকান ও একটি মুদি দোকানে তালা ঝুলছে। গতকাল সন্ধ্যায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ মামুনুর রশিদের নির্বাচনী কার্যালয় ও দোকানে ভাঙচুর চালান। এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় ভোটাররা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামুনুর রশিদ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে বসির আহম্মেদ ও তাঁর কর্মী–সমর্থকেরা নানাভাবে তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছেন। তাঁদের গণসংযোগে বাধা দিচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের দিন গতকাল সন্ধ্যায় নৌকার কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে মাদ্রাসাবাজারে আসেন। এরপর তাঁরা মামুনুর রশিদের ওষুধের দোকান থেকে তাঁর ছেলে মো. আছেম বিল্লাহকে মারধরের পর বের করে দেন। এ সময় আছেম বিল্লাহকে কিলঘুষি ও লাথি দিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়।

হামলার সময় দোকান থেকে ২০ হাজার টাকা, একটি ফ্যানসহ দোকানের দামি মালামাল লুট করে নিয়ে তালা মেরে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর হামলাকারীরা তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় দখল করে সেখানে নৌকার প্রার্থীর পোস্টার সেঁটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার প্রার্থী বসির আহম্মেদ বলেন, মামুনুর রশিদ ভাড়া নিয়ে ওই দোকান চালান। ওই দোকানঘরের মালিক নুরনবী নামের এক লোক সেখানে তালা মেরে দিয়েছেন। তিনি ইউপি সদস্যপদে নির্বাচন করছেন। নুরনবী সেখানে নির্বাচনী কার্যালয় করবেন বলে তাঁর ঘরটি ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। কিন্তু মামুনুর রশিদ ঘর ছাড়েননি। তাই তালা মেরে দিয়েছেন। আর মামুনুর রশিদ যেই ঘরে নির্বাচনী কার্যালয় করেছেন, সেটিও ওই ঘরের মালিক দখল নিয়েছেন। এখানে তাঁর কোনো হাত নেই।